কিডনি আক্রান্ত স্কুলছাত্র স্কাউটার আশেফের বাঁচার আকুতি, মানবিক সহায়তার আহ্বান
ফয়সাল রহমান জনি, গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর বহুমুখী পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী ও স্কাউটার আশেফ আলী (১৪) আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বর্তমানে রংপুরের ‘ডক্টরস ক্লিনিক’-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।
মাত্র কয়েকদিন আগেও যে কিশোরটি রোভার স্কাউটসের পোশাকে প্রাণবন্ত উপস্থিতি দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করত, বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-আনন্দে মেতে থাকত এবং পড়াশোনায় ছিল মনোযোগী—সেই আশেফ এখন হাসপাতালের বিছানায় নিথর। তার সেই প্রাণচাঞ্চল্য যেন হারিয়ে গেছে চার দেয়ালের নিঃশব্দ কষ্টে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আশেফের একটি কিডনি সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে এবং অন্যটি খুব সামান্য কার্যকর রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে সে নিস্তেজ হয়ে হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে আছে, মাঝে মাঝে শুধু অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকে—যেন বাঁচার আকুতি জানায় নীরবে।
এদিকে, আশেফের বাবা মোস্তফা কামাল ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। একমাত্র সন্তানের এমন অবস্থা দেখে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
আশেফের পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে মানবিক সহায়তার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছে। তাদের বিশ্বাস—সবার সামান্য সহযোগিতাই পারে এই কিশোরকে নতুন জীবন দিতে এবং আবারও তাকে স্কুলের প্রাঙ্গণে ফিরিয়ে আনতে।
সাহায্যের জন্য যোগাযোগ:
পিতা: মোঃ মোস্তফা কামাল
মোবাইল (বিকাশ পার্সোনাল): ০১৭১৩-৬২০৮১৭
ঠিকানা: সাদুল্লাপুর (শহীদ মিনার সংলগ্ন), গাইবান্ধা
একটি সম্ভাবনাময় জীবনের পাশে দাঁড়াতে আপনার সামান্য সহায়তাই হতে পারে বড় আশীর্বাদ। এখনই এগিয়ে আসুন।














