Hi

০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গরমে শিশুর ডায়রিয়ার ঝুঁকি, যা জানা জরুরি

জনগণের খবর নিউজ ডেস্ক

তৈরির আগে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন। এটি পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে শিশুকেও পরিচ্ছন্ন থাকতে সাহায্য করুন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

* পানিশূন্যতার লক্ষণ, যেমন- মুখ শুকিয়ে যাওয়া, কান্নার সময় চোখে পানি না আসা, চোখ কোটরে ঢুকে যাওয়া, বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া ইত্যাদি দেখা দিলে।

* ক্রমাগত বমি হলে।

* মলের সাথে রক্ত ​​বা শ্লেষ্মা গেলে।

* জ্বর বেশি হলে।

* পেটে তীব্র ব্যথা হলে।

* ৪৮-৭২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া থাকলে।

* অতিরিক্ত ক্লান্তি, খিটখিটে ভাব, বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব হলে।

* ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তারি পরীক্ষা করানো উচিত, কারণ তাদের শরীরে দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়

* ঘন ঘন হাত ধুতে উৎসাহিত করুন।

* ঘরে তৈরি টাটকা খাবার খেতে দিন।

* খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।

* পানি পরিষ্কার ও নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত করুন।

* ফল ও শাক-সবজি খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০৬:২৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
৭০ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

গরমে শিশুর ডায়রিয়ার ঝুঁকি, যা জানা জরুরি

আপডেট : ০৬:২৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

তৈরির আগে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন। এটি পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে শিশুকেও পরিচ্ছন্ন থাকতে সাহায্য করুন।

কখন ডাক্তার দেখাবেন?

* পানিশূন্যতার লক্ষণ, যেমন- মুখ শুকিয়ে যাওয়া, কান্নার সময় চোখে পানি না আসা, চোখ কোটরে ঢুকে যাওয়া, বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া ইত্যাদি দেখা দিলে।

* ক্রমাগত বমি হলে।

* মলের সাথে রক্ত ​​বা শ্লেষ্মা গেলে।

* জ্বর বেশি হলে।

* পেটে তীব্র ব্যথা হলে।

* ৪৮-৭২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া থাকলে।

* অতিরিক্ত ক্লান্তি, খিটখিটে ভাব, বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব হলে।

* ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তারি পরীক্ষা করানো উচিত, কারণ তাদের শরীরে দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়

* ঘন ঘন হাত ধুতে উৎসাহিত করুন।

* ঘরে তৈরি টাটকা খাবার খেতে দিন।

* খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন।

* পানি পরিষ্কার ও নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত করুন।

* ফল ও শাক-সবজি খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।