Hi

০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালিতে তেল ট্যাঙ্কারে ইরানি গানবোটের গোলাবর্ষণ

জনগণের খবর নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি গানবোট থেকে ওই তেল ট্যাঙ্কারে গোলাবর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাজ্যের নৌবাণিজ্য কার্যক্রম সংস্থা ইউকেএমটিও। খবর আলজাজিরার।

শনিবার ইউকেএমটিও তাদের এক বিশেষ বার্তায় ওই তেল ট্যাঙ্কারের ক্যাপ্টেনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ইরানি গানবোট দুটি কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ ছাড়াই এবং কোনো সতর্কতামূলক রেডিও বার্তা ছাড়াই তেল ট্যাঙ্কারটির ওপর গোলাবর্ষণ শুরু করে। তবে জাহাজটি ও জাহাজের নাবিকরা নিরাপদ রয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বাণিজ্যিক নৌ চলাচল সংস্থাটি।

সমস্যা সঙ্কুল হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর নুতন করে ইরানের নিষেধাজ্ঞা আরোপের মধ্যেই নতুন করে সমুদ্রগামী জাহাজে গোলাবর্ষণের এই খবর পাওয়া গেল। এর আগে আজ শনিবার দিনের মধ্যভাগে কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, তারা এই জলপথের ওপর পুনরায় ‘কঠোর ব্যবস্থাপনা’ ও সামরিক নিয়ন্ত্রণারোপ করছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিটি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিলেও তেহরান দ্রুত তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

ইরানের দাবি ছিল, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিনিময়ে মার্কিন নৌবাহিনীকে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিতে হবে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইরানের সঙ্গে কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি হওয়ার আগে এই অবরোধ বহাল থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অনমনীয় অবস্থানের প্রতিবাদে ইরান পুনরায় প্রণালিটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

আইআরজিসি মার্কিন কার্যক্রমকে ‘সামুদ্রিক জলদস্যুতা’ বা ডাকাতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ইরানি বন্দরে আসা-যাওয়ার পথে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে জোরপূর্বক বাধা দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এই অবরোধের পাল্টা জবাব হিসেবেই ইরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অধিকার ‘সীমিত’ করেছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০৬:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
৪৩ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

হরমুজ প্রণালিতে তেল ট্যাঙ্কারে ইরানি গানবোটের গোলাবর্ষণ

আপডেট : ০৬:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি গানবোট থেকে ওই তেল ট্যাঙ্কারে গোলাবর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাজ্যের নৌবাণিজ্য কার্যক্রম সংস্থা ইউকেএমটিও। খবর আলজাজিরার।

শনিবার ইউকেএমটিও তাদের এক বিশেষ বার্তায় ওই তেল ট্যাঙ্কারের ক্যাপ্টেনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ইরানি গানবোট দুটি কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ ছাড়াই এবং কোনো সতর্কতামূলক রেডিও বার্তা ছাড়াই তেল ট্যাঙ্কারটির ওপর গোলাবর্ষণ শুরু করে। তবে জাহাজটি ও জাহাজের নাবিকরা নিরাপদ রয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বাণিজ্যিক নৌ চলাচল সংস্থাটি।

সমস্যা সঙ্কুল হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর নুতন করে ইরানের নিষেধাজ্ঞা আরোপের মধ্যেই নতুন করে সমুদ্রগামী জাহাজে গোলাবর্ষণের এই খবর পাওয়া গেল। এর আগে আজ শনিবার দিনের মধ্যভাগে কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, তারা এই জলপথের ওপর পুনরায় ‘কঠোর ব্যবস্থাপনা’ ও সামরিক নিয়ন্ত্রণারোপ করছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিটি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিলেও তেহরান দ্রুত তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

ইরানের দাবি ছিল, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিনিময়ে মার্কিন নৌবাহিনীকে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিতে হবে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইরানের সঙ্গে কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি হওয়ার আগে এই অবরোধ বহাল থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অনমনীয় অবস্থানের প্রতিবাদে ইরান পুনরায় প্রণালিটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

আইআরজিসি মার্কিন কার্যক্রমকে ‘সামুদ্রিক জলদস্যুতা’ বা ডাকাতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ইরানি বন্দরে আসা-যাওয়ার পথে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে জোরপূর্বক বাধা দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। এই অবরোধের পাল্টা জবাব হিসেবেই ইরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অধিকার ‘সীমিত’ করেছে।