একজন মুসলিম ধর্মীয় নেতা দেশের প্রধানমন্ত্রী ‘তারেক রহমান’ কে সম্মান দেখাতে কার্পণ্য করা ইসলামের ওপর আঘাত: হেনেছেন বলে চট্টগ্রাম সহ সর্বোত্র নিন্দা-ধিক্কার
এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম:
একজন মুসলিম ধর্মীয় নেতা দেশের প্রধানমন্ত্রী ‘তারেক রহমান’ কে সম্মান দেখাতে কার্পণ্য ইসলামের ওপর আঘাত: হেনেছেন বলে দেশের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় জেলা চট্টগ্রাম সহ সর্বোত্র নিন্দা-ধিক্কার ঝড় উঠেছে!
সূত্র মতে, বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত সরকারের রোষানলে পড়ে দীর্ঘ বছর লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে সেই সরকারের পতন হওয়ার পর দেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথে যে সব উদাহরণীয় কর্ম সাধন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তা বাংলাদেশের অতীত ইতিহাসে কেউ করেছিলেন কী না (?) সন্দেহ।
এর আগে অন্যান্য গুলোর কথা বাদ দিয়ে বলার দরকার প্রদত্ত ছবিটির কথা। এমন দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে লিখনির মাধ্যমে জেনেছেন অনেকে এবং অনেকের আপলোড করা ভিডিওতে ও দেখেছেন অসংখ্য জনে। আর প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া সুবাদে দেশ ছাড়িয়ে দেশের বাইরের বিভিন্ন দেশের কোটি কোটি মানুষ দেখতে পেয়েছেন। তা দেখে তারেক রহমান সাহেবের প্রশংসা হলে ও অত্যন্ত হীনমন্যতা দেখিয়ে লজ্জায় মাথা নত করার মতো অবস্থার সৃষ্টি করেছেন মোল্লা-মৌলবীর ধর্মীয় লেবাসধারী গায়ে জুব্বা/পাঞ্জাবী পরা ও মাথায় টুপি সমেতো মুসলমান ধর্মীয় জ্ঞান পাপী ব্যাক্তিরা!
ওই ছবিটি দেখে অবাক হওয়ার মতো অবস্থা। খুব-ই দৃষ্টিকটু ঠেকার ও কথা। একজন সরকার প্রধান/প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান আলেমদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে নিজ আসন ছেড়ে এগিয়ে গিয়ে কুশলী মনোভাবাবীত হয়ে এগিয়ে গেলেন তাদের বসারত: আলেম ওলামায়ে কেরামগনের চেয়ারের কাছে। আর হাসৌজ্জলতায় কথপোকথন ও করছেন তিনি।
অথচ, আলোচিত আলেম নামধারী আবদুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ নামক ব্যাক্তি চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ানোর সৌজন্যতার খেই ও হারিয়ে ফেললেন! দেখাতে পারলেন না দেশের একজন প্রধানমন্ত্রী কে দাড়িয়ে একটু সম্মান ও!!
বয়স কম হোক্ অথবা নিজের পুত্র-সন্তান হলে ও ক্ষেত্র বিশেষে দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে সম্মান দেখাতেই হবে/ দেখানোটা-ই বাধ্যতা মুলক এর আওতায় পড়ে।
কিন্তু, ওই আলেম নামধারী ব্যাক্তি তা ও দেখালেন না!
এটা ইসলামের শিক্ষা নয় যে তা কি মিথ্যা বলতে পারবেন কেউ?
এ ধরনের আচরণ আলেম সমাজ সম্পর্কে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভালো বার্তা দেয় না এবং দিবে ও বলে মনে করা যায় না।
যদি তিনি ভুল বশত: তা করে থাকেন তাহলে গোপনে হলে ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। আর যদি তিনি কোনো ধরনের অহংকার/হীনমন্যতায় ভুগে করে থাকেন তাহলে তা থেকে ক্ষমা পাওয়ার ও অযোগ্য তিনি।
ভুল বা চ্যাঞ্জিং মানসিকতা থেকে ওই রকম টা তিনি করেছেন বলে মনে হওয়ার কথা নয়। কারণ, উনার পাশে থাকা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম’র খতীব ও প্রধানমন্ত্রীর সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে আছেন যে তা ষষ্ঠ-ই দেখা যাচ্ছে।
একটু ঠান্ডা মাথায় নীবিড় ভাবে চিন্তা করে দেখলে বুজা যাবে যে, তিনি এখন আর কোনো রাজনৈতিক দলের প্রধান- ই নয় বা ব্যক্তি তারেক রহমান-ই নন, তিনি এখন একজন ‘হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট অব বাংলাদেশ ( Head of The Government of Bangladesh is Prime Minister Tarique Rahman) ।
তা ছাড়া বড়-ছোট সকলের ক্ষেত্রেই সন্মান ও সৌজন্যতা দেখানো ইসলাম ও নবী কারীম হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর শিক্ষা।
সুতরাং, তিনি একজন ধর্মীয় জ্ঞান রাখা ব্যাক্তি হিসেবে নবী কারীম হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর শিক্ষাকে ও অমর্যাদা দেখালেন!
নাম-পদবী লিখতে গেলে প্রতিবেদন এর দীর্ঘ সূত্রিতা হবে বিধায় তা এড়িয়ে বলা ব্যাঞ্ছনীয়- চট্টগ্রাম উত্তর-দক্ষিণ এবং মহানগর সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন বাঘা বাঘা দায়িত্ববান নেতা বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে সম্মান প্রদর্শন না করার এহেন নির্লজ্জ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছেন।

















