Hi

১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিত্রশিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের নামে দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির নতুন উদ্যোগ

জনগণের খবর নিউজ ডেস্ক

বিশেষ প্রতিবেদক

চিত্রশিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের শিল্পীসত্তা, সৃজনশীলতা ও কর্মচেতনার আদর্শকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে খুব শিগগিরই রাজধানীর উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে Potua Quamrul Hassan Skills Development Institute -PQHSDI

বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতির অঙ্গনে পটুয়া কামরুল হাসানের অবদান অনন্য। বাংলাদেশের পতাকার আধুনিক নকশার রূপকার ও রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের অন্যতম নকশাকার হিসেবে দেশের ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গেও তাঁর নাম গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাঁর শিল্পীসত্তা, দেশপ্রেম, সৃজনশীলতা ও কর্মচেতনার সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই নতুন প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগ ও পরিচালনায় থাকবেন পটুয়া কামরুল হাসানের একমাত্র কন্যা সুমনা হাসান। তিনি STUDIO 2000 ও STUDIO MENZ–এর স্বত্বাধিকারী এবং Beauty Service Owners Association of Bangladesh (BSOAB)–এর সাধারণ সম্পাদক।

Potua Quamrul Hassan Skills Development Institute (PQHSDI) একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক উদ্যোগ হিসেবে দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেবে। প্রাথমিক কার্যক্রমে বিউটি ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন অকুপেশনে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ থাকবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং ভবিষ্যতে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করাই হবে প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম লক্ষ্য।

ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটিকে IT, Art এবং Vocational Skills Development–এর একটি সমন্বিত দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি, শিল্প-সৃজনশীলতা ও কারিগরি দক্ষতার সমন্বয়ে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করাই হবে এই উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০৫:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮৫ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

চিত্রশিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের নামে দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির নতুন উদ্যোগ

আপডেট : ০৫:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদক

চিত্রশিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের শিল্পীসত্তা, সৃজনশীলতা ও কর্মচেতনার আদর্শকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে খুব শিগগিরই রাজধানীর উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে Potua Quamrul Hassan Skills Development Institute -PQHSDI

বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতির অঙ্গনে পটুয়া কামরুল হাসানের অবদান অনন্য। বাংলাদেশের পতাকার আধুনিক নকশার রূপকার ও রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের অন্যতম নকশাকার হিসেবে দেশের ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গেও তাঁর নাম গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাঁর শিল্পীসত্তা, দেশপ্রেম, সৃজনশীলতা ও কর্মচেতনার সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই নতুন প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগ ও পরিচালনায় থাকবেন পটুয়া কামরুল হাসানের একমাত্র কন্যা সুমনা হাসান। তিনি STUDIO 2000 ও STUDIO MENZ–এর স্বত্বাধিকারী এবং Beauty Service Owners Association of Bangladesh (BSOAB)–এর সাধারণ সম্পাদক।

Potua Quamrul Hassan Skills Development Institute (PQHSDI) একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক উদ্যোগ হিসেবে দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেবে। প্রাথমিক কার্যক্রমে বিউটি ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন অকুপেশনে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ থাকবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং ভবিষ্যতে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করাই হবে প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম লক্ষ্য।

ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটিকে IT, Art এবং Vocational Skills Development–এর একটি সমন্বিত দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি, শিল্প-সৃজনশীলতা ও কারিগরি দক্ষতার সমন্বয়ে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করাই হবে এই উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।