Hi

ঢাকা, বাংলাদেশ ১০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা মৌলিক অধিকারের লজ্জাজনক লঙ্ঘন: অন্তর্বর্তী সরকার

গোপালগঞ্জে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে মনে করে অন্তর্বর্তী সরকার।

বুধবার (১৬ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, তরুণরা তাদের বিপ্লবী আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে বাধা দেওয়া তাদের মৌলিক অধিকারের লজ্জাজনক লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), পুলিশ এবং মিডিয়ার সদস্যরা নৃশংস আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ব্যক্তিদের সহিংস লাঞ্ছিত করা হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড বিনা শাস্তিতে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে এবং পুরোপুরি জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের কোনও নাগরিকের ওপর এ ধরনের সহিংসতার কোনও স্থান নেই।

বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকার আরও বলে, আমরা সেনাবাহিনী ও পুলিশকে তাদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের জন্য প্রশংসা করি এবং এই বিদ্বেষপূর্ণ হুমকি সত্ত্বেও সমাবেশ চালিয়ে যাওয়া ছাত্রদের ধৈর্য এবং সাহসের প্রশংসা করি। যারা এই নৃশংসতার জন্য দায়ী তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এটা স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে যে আমাদের দেশে সহিংসতার কোনও স্থান নেই। ন্যায়বিচার অবশ্যই জয়ী হবে এবং থাকবে।’

ট্যাগ :

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

About Author Information

জনপ্রিয়

জেআরডিএম এর উদ্যোগে কুইজ প্রতিযোগিতা ও তালগাছ রোপন

© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

গোপালগঞ্জে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা মৌলিক অধিকারের লজ্জাজনক লঙ্ঘন: অন্তর্বর্তী সরকার

আপডেট : ১২:২৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে মনে করে অন্তর্বর্তী সরকার।

বুধবার (১৬ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, তরুণরা তাদের বিপ্লবী আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে বাধা দেওয়া তাদের মৌলিক অধিকারের লজ্জাজনক লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), পুলিশ এবং মিডিয়ার সদস্যরা নৃশংস আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ব্যক্তিদের সহিংস লাঞ্ছিত করা হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এই জঘন্য কর্মকাণ্ড বিনা শাস্তিতে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে এবং পুরোপুরি জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের কোনও নাগরিকের ওপর এ ধরনের সহিংসতার কোনও স্থান নেই।

বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকার আরও বলে, আমরা সেনাবাহিনী ও পুলিশকে তাদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের জন্য প্রশংসা করি এবং এই বিদ্বেষপূর্ণ হুমকি সত্ত্বেও সমাবেশ চালিয়ে যাওয়া ছাত্রদের ধৈর্য এবং সাহসের প্রশংসা করি। যারা এই নৃশংসতার জন্য দায়ী তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এটা স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে যে আমাদের দেশে সহিংসতার কোনও স্থান নেই। ন্যায়বিচার অবশ্যই জয়ী হবে এবং থাকবে।’