Hi

০৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজায় যুদ্ধবিরতি, ইতিবাচক জবাব হামাসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবে ইতিবাচক জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধানতাকামী গোষ্ঠী হামাস। হামাস জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব নিয়ে অন্যান্য ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খবর যুদ্ধবিরতি নিয়ে গোষ্ঠীটি আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আভাস দিচ্ছে।

শুক্রবার (৪ জুলাই) হামাস জানিয়েছে, মার্কিন মধ্যস্থতায় গাজার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে তারা ‘ইতিবাচক জবাব’ দিয়েছে। এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত, যেখানে জিম্মিদের মুক্তি এবং সংঘাতের অবসানের জন্য আলোচনার কথা বলা হয়েছে।

গাজা সিটি থেকে এএফপি জানায়, এই ঘোষণার মাত্র কয়েক দিন পরেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধের জন্য জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, ‘মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাবটি নিয়ে ফিলিস্তিনি শক্তি ও দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে আন্দোলনটি।’

এর কিছুক্ষণ আগেই নেতানিয়াহু গাজায় বন্দি সব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনার ‘গভীর অঙ্গীকার’ পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমত ও সর্বাগ্রে আমাদের অপহৃতদের, সবাইকে, ফিরিয়ে আনার জন্য গভীর দায়বদ্ধতা অনুভব করি।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, ‘গাজার মানুষের জন্য আমি নিরাপত্তা চাই। তারা নরকে দিন কাটাচ্ছে।’

আলোচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ফিলিস্তিনি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী প্রস্তাবগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক প্রস্তাবটির মূল কাঠামোয় কোনো মৌলিক পরিবর্তন নেই।’

সূত্রটি জানায়, প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজায় বন্দি জীবিত ইসরাইলি জিম্মিদের মধ্যে অর্ধেককে, যাদের সংখ্যা ২২ বলে মনে করা হচ্ছে, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় মুক্তি দেওয়া হবে। এর বিনিময়ে ইসরাইল ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

এর আগে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দফা সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। ওই সময় ইসরাইলি জিম্মিদের বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০২:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
৭২ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

গাজায় যুদ্ধবিরতি, ইতিবাচক জবাব হামাসের

আপডেট : ০২:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবে ইতিবাচক জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধানতাকামী গোষ্ঠী হামাস। হামাস জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব নিয়ে অন্যান্য ফিলিস্তিনি দলগুলোর সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খবর যুদ্ধবিরতি নিয়ে গোষ্ঠীটি আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আভাস দিচ্ছে।

শুক্রবার (৪ জুলাই) হামাস জানিয়েছে, মার্কিন মধ্যস্থতায় গাজার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে তারা ‘ইতিবাচক জবাব’ দিয়েছে। এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত, যেখানে জিম্মিদের মুক্তি এবং সংঘাতের অবসানের জন্য আলোচনার কথা বলা হয়েছে।

গাজা সিটি থেকে এএফপি জানায়, এই ঘোষণার মাত্র কয়েক দিন পরেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধের জন্য জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, ‘মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাবটি নিয়ে ফিলিস্তিনি শক্তি ও দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে আন্দোলনটি।’

এর কিছুক্ষণ আগেই নেতানিয়াহু গাজায় বন্দি সব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনার ‘গভীর অঙ্গীকার’ পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমত ও সর্বাগ্রে আমাদের অপহৃতদের, সবাইকে, ফিরিয়ে আনার জন্য গভীর দায়বদ্ধতা অনুভব করি।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, ‘গাজার মানুষের জন্য আমি নিরাপত্তা চাই। তারা নরকে দিন কাটাচ্ছে।’

আলোচনার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ফিলিস্তিনি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী প্রস্তাবগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক প্রস্তাবটির মূল কাঠামোয় কোনো মৌলিক পরিবর্তন নেই।’

সূত্রটি জানায়, প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজায় বন্দি জীবিত ইসরাইলি জিম্মিদের মধ্যে অর্ধেককে, যাদের সংখ্যা ২২ বলে মনে করা হচ্ছে, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় মুক্তি দেওয়া হবে। এর বিনিময়ে ইসরাইল ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেবে।

এর আগে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দফা সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। ওই সময় ইসরাইলি জিম্মিদের বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।