নির্বাচন ঘিরে বডি ক্যামেরা সংকট


প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে অপরাধ দমনের কৌশল। মাঠ পর্যায়ে কর্মযজ্ঞের নিখুঁত তথ্য যাচাইয়ে আধুনিক সংস্করণ অনলাইন বডি ওন ক্যামেরা। এতে সংশ্লিষ্ট থানা বা কেন্দ্র থেকেই সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ বা অপরাধীর অবস্থান। এ প্রযুক্তি পুলিশ সদস্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি অপরাধ দমনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও নিরাপত্তার হাতিয়ার।
৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা কিনতে সরকার অনুমোদন দিলেও কয়েক দফায় কমেছে বরাদ্দ। অবশেষে সিদ্ধান্ত হয় নির্বাচনে ২৫ হাজার বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবে পুলিশ। এর মধ্যে ১৫ হাজার ক্যামেরা অনলাইনে সরাসরি নজরদারি করা যাবে, বাকিগুলো অফলাইন। এদিকে পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হলেও দায়িত্বরত অবস্থায় ক্যামেরা বন্ধ রাখছেন অনেকেই।
সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে গত বছরের আগস্টে ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা কেনার নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা। সেপ্টেম্বরে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ইউএনডিপির মাধ্যমে ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা কেনার অনুমোদন দেয়ার কথা জানান অর্থ উপদেষ্টা। তবে হঠাৎ আটকে যায় বরাদ্দ। ১৮ নভেম্বরে ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা জানান, পুলিশের চাহিদার আলোকে ঝুঁকিপূর্ণ আসনেই কেবল বডি ক্যামেরা দেয়া হবে। পরে প্রায় ২০ হাজার নতুন ক্যামেরা কেনে সরকার। আগের ৫ হাজারসহ মোট ২৫ হাজার ক্যামেরার মধ্যে অনলাইন ১৫ হাজার, বাকিগুলো অফলাইন।











