

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারণায় রাত ৮ টার পর মাইকের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মধ্যরাত পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করে চলছে নির্বাচনি সমাবেশ। যদিও এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ চলছে রাজনৈতিক মহলে।
নির্বাচনি প্রচারণায় মাইক ব্যবহারে শিথিলতাসহ শিগগিরই আচরণবিধিতে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসি আব্দুর রহমানেল মাসউদ বলেন, আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ গুরুতর হলে কমিশন নিজ থেকেই তদন্তের ব্যবস্থা করবে। অন্যথায়, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় বরাবর অভিযোগ জানাতে হবে। এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, আচরণবিধি মনিটরিংয়ে ইসির তৎপরতা বাড়ানো জরুরি।
এদিকে নির্বাচনি প্রচারে ভোটারপ্রতি ১০ টাকা খরচ করার বিধান থাকলেও এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই প্রচারণার সুযোগ নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করছে দলগুলো। পরিসংখ্যান বলছে, ইসির বিধি ভেঙ্গে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগেই দলগুলো ফেসবুকে ৫০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করে। যেটির বর্তমান হিসেব বেড়েছে কয়েকগুণে। এতে বিএনপি-জামায়াত কেউই পিছিয়ে নেই। একইসাথে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতেও আচরণবিধি অমান্য করে চলছে প্রচারণা. ইসির হিসেবে গত ৮ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এসব ঘটনায় ১২৮ নির্বাচনি এলাকায় ১'শ ৪৪ টি আচরণবিধি লঙ্ঘনে ৯৪টি মামলাসহ ৯ লাখের বেশি জরিমানা করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আচরণবিধির এসব বিষয়ে মনিটরিংয়ে ইসির তৎপরতা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে বিধিমালায় সংশোধনেরও জোর দেন তারা।