Hi

০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের সবাই ইরানের পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। খবর রয়টার্সের।

মার্কিন মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য ইরানের সরকারের বেপরোয়া প্রচেষ্টা শুধু যুক্তরাষ্ট্রেরই নয় বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। 

তাই ইরান যেন পরমাণু প্রকল্প অগ্রসর করার মাধ্যমে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতায় বিঘ্ন সৃষ্টি করে না পারে, সেজন্য সবসময় যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা করে যাবে।

কোন কোন কোম্পানি ও ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি বিবৃতিতে। তবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২টি আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত। 

এ দুটি প্রতিষ্ঠান হলো অ্যাটমিক অ্যানার্জি অর্গানাইজেশন অব ইরান (এইওআই) এবং দ্য ইরান সেন্ট্রিফিউজ কোম্পানি (টিইএসএ) এ দুই সংস্থাই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।

গত সোমবার অনেকটা আকস্মিকভাবে ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু হচ্ছে ওয়াশিংটনের। 

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগশি বলেছেন, আলোচনা হবে পরোক্ষভাবে এবং এতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকবে ওমান।

মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, যদি এই আলোচনা সফল না হয়, সেক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে বড় মাত্রার বিপদে পড়বে ইরান। এমনকি বোমা হামলাও হতে পারে দেশটিতে।

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০৫:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
১৬৬ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি

আপডেট : ০৫:৩৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তদের সবাই ইরানের পরমাণু প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। খবর রয়টার্সের।

মার্কিন মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য ইরানের সরকারের বেপরোয়া প্রচেষ্টা শুধু যুক্তরাষ্ট্রেরই নয় বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। 

তাই ইরান যেন পরমাণু প্রকল্প অগ্রসর করার মাধ্যমে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতায় বিঘ্ন সৃষ্টি করে না পারে, সেজন্য সবসময় যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা করে যাবে।

কোন কোন কোম্পানি ও ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি বিবৃতিতে। তবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২টি আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্ত। 

এ দুটি প্রতিষ্ঠান হলো অ্যাটমিক অ্যানার্জি অর্গানাইজেশন অব ইরান (এইওআই) এবং দ্য ইরান সেন্ট্রিফিউজ কোম্পানি (টিইএসএ) এ দুই সংস্থাই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।

গত সোমবার অনেকটা আকস্মিকভাবে ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু হচ্ছে ওয়াশিংটনের। 

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগশি বলেছেন, আলোচনা হবে পরোক্ষভাবে এবং এতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকবে ওমান।

মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, যদি এই আলোচনা সফল না হয়, সেক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে বড় মাত্রার বিপদে পড়বে ইরান। এমনকি বোমা হামলাও হতে পারে দেশটিতে।