Hi

০৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানকে উড়িয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক

সফররত পাকিস্তানের সাথে টি টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে সাত উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বোলিং-ব্যাটিংয়ে দারুন নৈপুণ্য দেখিয়েছে টাইগাররা। বলতে গেলে ম্যাচে লিটন দাসের দলের কাছে পাত্তা পায়নি পাকিস্তানিরা।

আগে ব্যাট করে তাসকিন-মুস্তাফিজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১১০ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ১৫.৩ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ১১২ রান তুলে বাংলাদেশ।

এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ জয়। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানকে হারিয়ে ৯ বছরের খরা কাটিয়েছে বাংলাদেশ।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন ৫৬ পারভেজ হোসেন ঈমন। আর তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান।

৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে সেই বিপদ সামাল দেন পারভেজ ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। এই দুজনের ৭৩ রানের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। ৩৭ বলে ৩৬ রান করেছেন হৃদয়।

হৃদয় থিতু হয়ে ফিরলেও ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন ইমন। মাত্র ৩৪ বলে মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৬ রান এসেছে এই ওপেনারের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া অপরাজিত ১৫ রান করেছেন জাকের।

পাকিস্তানের পক্ষে সালমান মির্জা ২৩ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট। অন্য উইকেটটি নিয়েছেন আব্বাস আফ্রিদি।

এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান লিটন দাস।

১৯.৩ ওভারে সফরকারীরা অলআউট হয়ে গেছে মাত্র ১১০ রানে। টি-টোয়েন্টিতে দুই দলের ২৩ বারের দেখায় এই প্রথম বাংলাদেশের বিপক্ষে অলআউট হলো দলটি।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারী পাকিস্তান। দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে ফখর জামানের ব্যাট থেকে, এছাড়া ২২ রান এসেছে আব্বাস আফ্রিদির ব্যাট থেকে।

বাংলাদেশের হয়ে ২২ রানে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন তাসকিন। মোস্তাফিজুর রহমান চার ওভার বল করে মাত্র ছয় রান দিয়ে পান দুইটি উইকেট। একটি করে শিকার ধরেন শেখ মেহেদী হাসান ও তানজিম হাসান সাকিব। বাকি তিনটি রানআউট।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০৩:৪৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
১১০ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

পাকিস্তানকে উড়িয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

আপডেট : ০৩:৪৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

সফররত পাকিস্তানের সাথে টি টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে সাত উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বোলিং-ব্যাটিংয়ে দারুন নৈপুণ্য দেখিয়েছে টাইগাররা। বলতে গেলে ম্যাচে লিটন দাসের দলের কাছে পাত্তা পায়নি পাকিস্তানিরা।

আগে ব্যাট করে তাসকিন-মুস্তাফিজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১১০ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ১৫.৩ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ১১২ রান তুলে বাংলাদেশ।

এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ জয়। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানকে হারিয়ে ৯ বছরের খরা কাটিয়েছে বাংলাদেশ।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন ৫৬ পারভেজ হোসেন ঈমন। আর তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ রান।

৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে সেই বিপদ সামাল দেন পারভেজ ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। এই দুজনের ৭৩ রানের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। ৩৭ বলে ৩৬ রান করেছেন হৃদয়।

হৃদয় থিতু হয়ে ফিরলেও ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন ইমন। মাত্র ৩৪ বলে মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৯ বলে অপরাজিত ৫৬ রান এসেছে এই ওপেনারের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া অপরাজিত ১৫ রান করেছেন জাকের।

পাকিস্তানের পক্ষে সালমান মির্জা ২৩ রান দিয়ে নেন দুই উইকেট। অন্য উইকেটটি নিয়েছেন আব্বাস আফ্রিদি।

এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান লিটন দাস।

১৯.৩ ওভারে সফরকারীরা অলআউট হয়ে গেছে মাত্র ১১০ রানে। টি-টোয়েন্টিতে দুই দলের ২৩ বারের দেখায় এই প্রথম বাংলাদেশের বিপক্ষে অলআউট হলো দলটি।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চরম বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারী পাকিস্তান। দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে ফখর জামানের ব্যাট থেকে, এছাড়া ২২ রান এসেছে আব্বাস আফ্রিদির ব্যাট থেকে।

বাংলাদেশের হয়ে ২২ রানে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন তাসকিন। মোস্তাফিজুর রহমান চার ওভার বল করে মাত্র ছয় রান দিয়ে পান দুইটি উইকেট। একটি করে শিকার ধরেন শেখ মেহেদী হাসান ও তানজিম হাসান সাকিব। বাকি তিনটি রানআউট।