Hi

১০:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহসিক সিরিজ জয়

স্পোর্টস ডেস্ক

শ্রীলঙ্কার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছে টাইগাররা। শ্রীলঙ্কায় এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়, যা স্মরণীয় করে রাখল লিটন দাসের নেতৃত্বে গড়া এই দলটি।

প্রথম ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ম্যাচে ছিল ওয়ানডে সিরিজের মতো পরিণতির আশঙ্কা। তবে সেটা হতে দেননি শেখ মেহেদী হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, ও তাওহীদ হৃদয়েরা।

বুধবার (১৬ জুলাই) প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়ে দেন মাত্র ৬ রানে। এরপর শেখ মেহেদীর ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে পড়ে লঙ্কান ব্যাটিং লাইনআপ। নিজের প্রথম ওভারে কুশল পেরেরাকে শূন্য রানে স্লিপে ক্যাচ বানান, এরপর চান্দিমাল ও অধিনায়ক আসালাঙ্কাকে ফেরান এবং শেষ ওভারে তুলে নেন ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট ৪৬ রান করা পাথুম নিশাঙ্কার।

মেহেদী ম্যাচ শেষ করেন ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে। শরিফুল, মুস্তাফিজ এবং শামীম পাটোয়ারি একটি করে উইকেট নেন। শেষ দিকে দাসুন শানাকার ২৫ বলে অপরাজিত ৩৫ এবং শরিফুলের করা শেষ ওভারে ২২ রান তোলায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস থামে ১৩২ রানে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন পারভেজ ইমন। তবে এরপরই লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম গড়েন ৭৪ রানের দারুণ জুটি। লিটন ৩২ রান করে আউট হলেও, তামিম তুলে নেন ম্যাচজয়ী হাফসেঞ্চুরি। তিনি ৪৭ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

তার সঙ্গে তাওহীদ হৃদয়ের ২৫ বলে ২৭ রানের ইনিংস এবং অপরাজিত জুটিতে বাংলাদেশ ২২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে।

এই জয়ের মাধ্যমে শুধু শ্রীলঙ্কার মাটিতে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জেতার স্বাদই পেল না বাংলাদেশ, বরং পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম সিরিজেই জয় তুলে নিলেন লিটন দাস। ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সে শেখ মেহেদী হাসানকে দেখা যায় ম্যাচের নায়ক হিসেবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০২:৫৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
১১৪ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহসিক সিরিজ জয়

আপডেট : ০২:৫৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

শ্রীলঙ্কার মাটিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছে টাইগাররা। শ্রীলঙ্কায় এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়, যা স্মরণীয় করে রাখল লিটন দাসের নেতৃত্বে গড়া এই দলটি।

প্রথম ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ম্যাচে ছিল ওয়ানডে সিরিজের মতো পরিণতির আশঙ্কা। তবে সেটা হতে দেননি শেখ মেহেদী হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, ও তাওহীদ হৃদয়েরা।

বুধবার (১৬ জুলাই) প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়ে দেন মাত্র ৬ রানে। এরপর শেখ মেহেদীর ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে পড়ে লঙ্কান ব্যাটিং লাইনআপ। নিজের প্রথম ওভারে কুশল পেরেরাকে শূন্য রানে স্লিপে ক্যাচ বানান, এরপর চান্দিমাল ও অধিনায়ক আসালাঙ্কাকে ফেরান এবং শেষ ওভারে তুলে নেন ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট ৪৬ রান করা পাথুম নিশাঙ্কার।

মেহেদী ম্যাচ শেষ করেন ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে। শরিফুল, মুস্তাফিজ এবং শামীম পাটোয়ারি একটি করে উইকেট নেন। শেষ দিকে দাসুন শানাকার ২৫ বলে অপরাজিত ৩৫ এবং শরিফুলের করা শেষ ওভারে ২২ রান তোলায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস থামে ১৩২ রানে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন পারভেজ ইমন। তবে এরপরই লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম গড়েন ৭৪ রানের দারুণ জুটি। লিটন ৩২ রান করে আউট হলেও, তামিম তুলে নেন ম্যাচজয়ী হাফসেঞ্চুরি। তিনি ৪৭ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

তার সঙ্গে তাওহীদ হৃদয়ের ২৫ বলে ২৭ রানের ইনিংস এবং অপরাজিত জুটিতে বাংলাদেশ ২২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে।

এই জয়ের মাধ্যমে শুধু শ্রীলঙ্কার মাটিতে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জেতার স্বাদই পেল না বাংলাদেশ, বরং পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম সিরিজেই জয় তুলে নিলেন লিটন দাস। ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সে শেখ মেহেদী হাসানকে দেখা যায় ম্যাচের নায়ক হিসেবে।