Hi

০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হার দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

জনগণের খবর নিউজ ডেস্ক

হার দিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো বাংলাদেশ। মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে ২৬ রানে হেরেছে স্বাগতিকরা। শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ রানের জবাবে ৯ বল বাকি থাকতেই ২২১ রানে থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস।

১ রানে জীবন পাওয়া সাইফ হাসানের ৭৬ বলে ৫৭, লিটন দাসের ৬৮ বলে ৪৬ রানের পর তৌহিদ হৃদয় করেন ৬০ বলে ৫৫ রান। ছয় নম্বরে নামা আফিফ হোসেন ৪৯ বলে ২৭ রান করে দলের বিপর্যয়ে রাখেন প্রভাব। ৪০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দিয়ে নিউজিল্যান্ডের নায়ক পেসার ব্লেয়ার টিকনার।

নাগালে থাকা লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। চতুর্থ ওভারেই ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ন্যাথান স্মিথের পরপর দুই বলে বোল্ড হন তাঁরা। আগের ওভারে ১ রানে সাইফের ক্যাচ হেনরি নিকোলস না ফেলে দিলে পড়তে পারতো ৩ উইকেট।

২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে হকচকিয়ে পড়া দলকে এরপর স্থির করেন লিটন। সাইফকে নিয়ে পরিস্থিতি দারুণভাবে সামলে নেন তিনি। শুরুর কঠিন সময় পার করে অনায়াসে রান বের করতে থাকেন তাঁরা। আগের সিরিজে রান না পাওয়া সাইফ ছিলেন সমালোচনায়। প্রবল চাপে নেমে শুরুতে ক্যাচ দিয়ে বাঁচার পর নিজেকে সামলে নেন তিনি।

আলগা বল কাজে লাগিয়ে ফিফটি পেরোতে বেগ পেতে হয়নি তাঁকে। তবে ফিফটির পর বেশি এগোনো হয়নি ডানহাতি ওপেনারের। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৭৬ বলে ৫৭ করে ক্যাচ উঠিয়ে ফেরেন সাইফ। এতে ভাঙে ১১৬ বলে ৯৩ রানের জুটি।

সাইফ বিদায় নিলেও লিটন ছিলেন সাবলীল, হৃদয়কে নিয়ে জুটির পথে ছিলেন তিনি। তবে ফিফটির কাছে গিয়ে ফক্সক্রফটের ভেতরে ঢোকা অফ স্পিন ডেলিভারিতে বোল্ড হন কিপার ব্যাটার। লিটনের বিদায়ের পর রানের চাকা আচমকা মন্থর হয়ে পড়ে। ছয়ে নামা আফিফ কুঁকড়ে ছিলেন, রান বের করতে ধুঁকছিলেন তিনি। হৃদয়ও শুরুর দিকে আড়ষ্ট থাকায় কিছুটা চাপ বাড়ছিল দলের ওপর।

অবশ্য ধুঁকতে থাকলেও উইকেট ছুড়ে দেননি তাঁরা। সময় নিলেও পুষিয়ে দেওয়ার বিশ্বাস ছিল হয়তো। আফিফ সেটা পারেননি। বাজে শটে শেষ হয় তাঁর ৪৯ বলে ২৭ রানের সংগ্রাম। এরপর রিশাদ হোসেন ও তাসকিন আহমেদ টিকতে পারেননি বেশি। একা চাপ পড়ে যায় হৃদয়ের কাঁধে। সেই চাপ নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি।

এর আগে, টস জিতে হেনরি নিকোলস ও ডিন ফক্সক্রফটের ফিফটিতে আড়াইশর কাছে পুঁজি পায় কিউইরা। ইনিংস বিরতিতে মনে হচ্ছিল কিছু রান কম করেছে তারা। কিন্তু পরে দেখা গেল এই রানই জয়ের জন্য যথেষ্ট। প্রথম সারির ১০ জনকে ছাড়া বাংলাদেশে খেলতে এসেও জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করলো কিউইরা।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০৮:৩০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
১৮ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

হার দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

আপডেট : ০৮:৩০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

হার দিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো বাংলাদেশ। মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে ২৬ রানে হেরেছে স্বাগতিকরা। শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ রানের জবাবে ৯ বল বাকি থাকতেই ২২১ রানে থেমে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস।

১ রানে জীবন পাওয়া সাইফ হাসানের ৭৬ বলে ৫৭, লিটন দাসের ৬৮ বলে ৪৬ রানের পর তৌহিদ হৃদয় করেন ৬০ বলে ৫৫ রান। ছয় নম্বরে নামা আফিফ হোসেন ৪৯ বলে ২৭ রান করে দলের বিপর্যয়ে রাখেন প্রভাব। ৪০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দিয়ে নিউজিল্যান্ডের নায়ক পেসার ব্লেয়ার টিকনার।

নাগালে থাকা লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। চতুর্থ ওভারেই ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ন্যাথান স্মিথের পরপর দুই বলে বোল্ড হন তাঁরা। আগের ওভারে ১ রানে সাইফের ক্যাচ হেনরি নিকোলস না ফেলে দিলে পড়তে পারতো ৩ উইকেট।

২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে হকচকিয়ে পড়া দলকে এরপর স্থির করেন লিটন। সাইফকে নিয়ে পরিস্থিতি দারুণভাবে সামলে নেন তিনি। শুরুর কঠিন সময় পার করে অনায়াসে রান বের করতে থাকেন তাঁরা। আগের সিরিজে রান না পাওয়া সাইফ ছিলেন সমালোচনায়। প্রবল চাপে নেমে শুরুতে ক্যাচ দিয়ে বাঁচার পর নিজেকে সামলে নেন তিনি।

আলগা বল কাজে লাগিয়ে ফিফটি পেরোতে বেগ পেতে হয়নি তাঁকে। তবে ফিফটির পর বেশি এগোনো হয়নি ডানহাতি ওপেনারের। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৭৬ বলে ৫৭ করে ক্যাচ উঠিয়ে ফেরেন সাইফ। এতে ভাঙে ১১৬ বলে ৯৩ রানের জুটি।

সাইফ বিদায় নিলেও লিটন ছিলেন সাবলীল, হৃদয়কে নিয়ে জুটির পথে ছিলেন তিনি। তবে ফিফটির কাছে গিয়ে ফক্সক্রফটের ভেতরে ঢোকা অফ স্পিন ডেলিভারিতে বোল্ড হন কিপার ব্যাটার। লিটনের বিদায়ের পর রানের চাকা আচমকা মন্থর হয়ে পড়ে। ছয়ে নামা আফিফ কুঁকড়ে ছিলেন, রান বের করতে ধুঁকছিলেন তিনি। হৃদয়ও শুরুর দিকে আড়ষ্ট থাকায় কিছুটা চাপ বাড়ছিল দলের ওপর।

অবশ্য ধুঁকতে থাকলেও উইকেট ছুড়ে দেননি তাঁরা। সময় নিলেও পুষিয়ে দেওয়ার বিশ্বাস ছিল হয়তো। আফিফ সেটা পারেননি। বাজে শটে শেষ হয় তাঁর ৪৯ বলে ২৭ রানের সংগ্রাম। এরপর রিশাদ হোসেন ও তাসকিন আহমেদ টিকতে পারেননি বেশি। একা চাপ পড়ে যায় হৃদয়ের কাঁধে। সেই চাপ নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি।

এর আগে, টস জিতে হেনরি নিকোলস ও ডিন ফক্সক্রফটের ফিফটিতে আড়াইশর কাছে পুঁজি পায় কিউইরা। ইনিংস বিরতিতে মনে হচ্ছিল কিছু রান কম করেছে তারা। কিন্তু পরে দেখা গেল এই রানই জয়ের জন্য যথেষ্ট। প্রথম সারির ১০ জনকে ছাড়া বাংলাদেশে খেলতে এসেও জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করলো কিউইরা।