Hi

১০:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাঁঠাল খাওয়ার উপকারিতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক

কাঁঠাল এমন একটি ফল যা অনেকে খেতে ভীষণ পছন্দ করেন, অনেকের কাছে আবার মোটেই পছন্দের নয়। তা আপনি খেতে পছন্দ করেন বা না করেন, এর উপকারিতার কথা অস্বীকার করার কিন্তু কোনো উপায় নেই। আকৃতিতে বড়, মিষ্টি, রসালো এই গ্রীষ্মকালীন ফলের রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। এতে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ রয়েছে। কম চর্বি এবং কোলেস্টেরলমুক্ত কাঁঠাল হজমে সহায়তা করে, শক্তি বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেন কাঁঠাল খাওয়া উপকারী-

>> হাইড্রেটেড রাখে : কাঁঠালে পানির পরিমাণ বেশি থাকে, যা গরমের দিনে হাইড্রেশনের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই ফল খেলে ঘামের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া তরল পদার্থ পূরণ করা যায় এবং ডিহাইড্রেশনজনিত ক্লান্তি বা মাথাব্যথা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

>> রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কাঁঠাল শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। এটি শরীরকে মৌসুমী সংক্রমণ এবং ঠান্ডা বা তাপজনিত জ্বরের মতো সাধারণ গ্রীষ্মকালীন অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

>> হজমশক্তি উন্নত করে : কাঁঠালের প্রাকৃতিক আঁশ স্বাভাবিক মলত্যাগ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে হজমে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে, যা গ্রীষ্মের তাপের কারণে হজমশক্তি ধীর হয়ে গেলে বিশেষভাবে সহায়ক।

>> দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে : কাঁঠালে ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক চিনি থাকে যা প্রক্রিয়াজাত চিনির মতো নয়। এই চিনি কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করে। ওয়ার্কআউটের আগে নাস্তা হিসেবে কিংবা গ্রীষ্মের দুপুরে সতেজতার জন্য কাঁঠাল খেতে পারেন।

>> হৃদরোগ দূরে রাখে : কাঁঠাল পটাশিয়ামের একটি ভালো উৎস, যা সোডিয়াম প্রতিরোধ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রক্তনালীকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকেও রক্ষা করে, এভাবে ধীরে ধীরে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস কর।

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ১১:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
৮৭ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

কাঁঠাল খাওয়ার উপকারিতা

আপডেট : ১১:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

কাঁঠাল এমন একটি ফল যা অনেকে খেতে ভীষণ পছন্দ করেন, অনেকের কাছে আবার মোটেই পছন্দের নয়। তা আপনি খেতে পছন্দ করেন বা না করেন, এর উপকারিতার কথা অস্বীকার করার কিন্তু কোনো উপায় নেই। আকৃতিতে বড়, মিষ্টি, রসালো এই গ্রীষ্মকালীন ফলের রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। এতে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ রয়েছে। কম চর্বি এবং কোলেস্টেরলমুক্ত কাঁঠাল হজমে সহায়তা করে, শক্তি বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেন কাঁঠাল খাওয়া উপকারী-

>> হাইড্রেটেড রাখে : কাঁঠালে পানির পরিমাণ বেশি থাকে, যা গরমের দিনে হাইড্রেশনের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই ফল খেলে ঘামের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া তরল পদার্থ পূরণ করা যায় এবং ডিহাইড্রেশনজনিত ক্লান্তি বা মাথাব্যথা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

>> রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কাঁঠাল শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। এটি শরীরকে মৌসুমী সংক্রমণ এবং ঠান্ডা বা তাপজনিত জ্বরের মতো সাধারণ গ্রীষ্মকালীন অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

>> হজমশক্তি উন্নত করে : কাঁঠালের প্রাকৃতিক আঁশ স্বাভাবিক মলত্যাগ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে হজমে সহায়তা করে। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে, যা গ্রীষ্মের তাপের কারণে হজমশক্তি ধীর হয়ে গেলে বিশেষভাবে সহায়ক।

>> দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে : কাঁঠালে ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক চিনি থাকে যা প্রক্রিয়াজাত চিনির মতো নয়। এই চিনি কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করে। ওয়ার্কআউটের আগে নাস্তা হিসেবে কিংবা গ্রীষ্মের দুপুরে সতেজতার জন্য কাঁঠাল খেতে পারেন।

>> হৃদরোগ দূরে রাখে : কাঁঠাল পটাশিয়ামের একটি ভালো উৎস, যা সোডিয়াম প্রতিরোধ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রক্তনালীকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকেও রক্ষা করে, এভাবে ধীরে ধীরে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস কর।