Hi

০২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভিত্তিহীন অভিযোগে দলকে জড়িয়ে মানববন্ধন, বিচার চাইলেন কৃষকদল নেতা

ফয়সাল রহমান জনি

মসজিদের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগে দলকে জড়িয়ে মানববন্ধন করে সম্মানহানি এবং দলেরভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় আয়োজকদের বিচার চাইলেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদল জেলা কমিটির সদস্য মো. রুহুল আমিন (আল আমিন)।

রোববার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনেতিনি প্রশাসনের কাছে এই বিচার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন বলেন, গাইবান্ধার কলেজ রোডের কনকরায় গোবিন্দপুরএলাকায় মসজিদের ১১ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে আমার বিরুদ্ধে ২ মে শুক্রবারমানববন্ধন করেন কতিপয় ব্যক্তি। প্রকৃতপক্ষে আমি আল আকসা সালাফি মসজিদের সভাপতি এবং আমার পৈতৃকতিন শতক জায়গায় ২০২৩ সালে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন এলাকার মানুষ। মসজিদের জায়গার দামনির্ধারণ হয় ১৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে দুই বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে মসজিদ কমিটি ৯ লাখ ৩০ হাজারটাকা পরিশোধ করে। মাস ছয়েক আগে জমি দলিল করতে রেজিস্ট্রি অফিসে মসজিদের নাম নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়েপড়ে কমিটির লোকজন। ফলে জমি রেজিস্ট্রি স্থগিত হয়ে যায়। সদর থানা পুলিশের সালিশ বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এমতাবস্থায় কমিটিরসাবেক ক্যাশিয়ার মাসুম ও তার লোকজন টাকা আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ এনে দলকে জড়িয়ে কমিটিরসেক্রেটারি মোমিনসহ আমাকে অভিযুক্ত করে ভাড়াটে লোক দিয়ে মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা মসজিদের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে ও জুম্মার নামাজ পড়াতে আসা খতিব শায়েখ মো. বেলালকেও লাঞ্ছিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন কৃষকদলকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগে দলের ভাবমূর্তি ও তার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্নকরায় মানববন্ধনের আয়োজক মাসুম ও তার লোকজনের বিচারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনেঅন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন বাবু,খতিব শায়েখ মো. বেলালসহ মসজিদ কমিটির সদস্যরা।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০৩:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
১৮৫ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

ভিত্তিহীন অভিযোগে দলকে জড়িয়ে মানববন্ধন, বিচার চাইলেন কৃষকদল নেতা

আপডেট : ০৩:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

মসজিদের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগে দলকে জড়িয়ে মানববন্ধন করে সম্মানহানি এবং দলেরভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় আয়োজকদের বিচার চাইলেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদল জেলা কমিটির সদস্য মো. রুহুল আমিন (আল আমিন)।

রোববার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনেতিনি প্রশাসনের কাছে এই বিচার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন বলেন, গাইবান্ধার কলেজ রোডের কনকরায় গোবিন্দপুরএলাকায় মসজিদের ১১ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে আমার বিরুদ্ধে ২ মে শুক্রবারমানববন্ধন করেন কতিপয় ব্যক্তি। প্রকৃতপক্ষে আমি আল আকসা সালাফি মসজিদের সভাপতি এবং আমার পৈতৃকতিন শতক জায়গায় ২০২৩ সালে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন এলাকার মানুষ। মসজিদের জায়গার দামনির্ধারণ হয় ১৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে দুই বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে মসজিদ কমিটি ৯ লাখ ৩০ হাজারটাকা পরিশোধ করে। মাস ছয়েক আগে জমি দলিল করতে রেজিস্ট্রি অফিসে মসজিদের নাম নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়েপড়ে কমিটির লোকজন। ফলে জমি রেজিস্ট্রি স্থগিত হয়ে যায়। সদর থানা পুলিশের সালিশ বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এমতাবস্থায় কমিটিরসাবেক ক্যাশিয়ার মাসুম ও তার লোকজন টাকা আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ এনে দলকে জড়িয়ে কমিটিরসেক্রেটারি মোমিনসহ আমাকে অভিযুক্ত করে ভাড়াটে লোক দিয়ে মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা মসজিদের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে ও জুম্মার নামাজ পড়াতে আসা খতিব শায়েখ মো. বেলালকেও লাঞ্ছিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন কৃষকদলকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগে দলের ভাবমূর্তি ও তার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্নকরায় মানববন্ধনের আয়োজক মাসুম ও তার লোকজনের বিচারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনেঅন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন বাবু,খতিব শায়েখ মো. বেলালসহ মসজিদ কমিটির সদস্যরা।