Hi

০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা

ফয়সাল রহমান জনি

 

গাইবান্ধায় অবৈধ ৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

মঙ্গলবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ রেজওয়ান আহম্মেদের নেতৃত্বে জেলা শহরে অভিযান চালিয়ে এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়।

সিলগালা করা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো হলো, শহরের হাসপাতাল রোডের নিউ সেন্টাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কাচারি বাজারের ক্রিসেন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কলেজ রোডের সোনার বাংলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সদরের তুলশীঘাট বাজারের ফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ রেজওয়ান আহম্মেদ জানান, অনুমোদন না নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে এসব ডায়াগনস্টিক পরিচালিত হয়ে আসছিল। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ও তাদের ল্যাবে মেয়াদ উত্তীন্ন পরীক্ষার কীট ও সরঞ্জামাদি পাওয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ১২:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
১৯৫ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

গাইবান্ধায় ৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা

আপডেট : ১২:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

 

গাইবান্ধায় অবৈধ ৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

মঙ্গলবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ রেজওয়ান আহম্মেদের নেতৃত্বে জেলা শহরে অভিযান চালিয়ে এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়।

সিলগালা করা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো হলো, শহরের হাসপাতাল রোডের নিউ সেন্টাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কাচারি বাজারের ক্রিসেন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কলেজ রোডের সোনার বাংলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সদরের তুলশীঘাট বাজারের ফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ রেজওয়ান আহম্মেদ জানান, অনুমোদন না নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে এসব ডায়াগনস্টিক পরিচালিত হয়ে আসছিল। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ও তাদের ল্যাবে মেয়াদ উত্তীন্ন পরীক্ষার কীট ও সরঞ্জামাদি পাওয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়।