Hi

০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডেটিং সাইট টান টান অ্যাপের মাধ্যমে সহজ-সরল ব্যক্তিদের অপহরণ , গ্রেপ্তার ২

সাভার প্রতিনিধি

ডেটিং সাইট ‘টান টান’ অ্যাপসের মাধ্যমে হানিট্র্যাপে ফেলে মোটরসাইকেলসহ নগদ টাকা লুটে নেওয়ার ঘটনায় নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবীর। এর আগে তাদের গতকাল আশুলিয়ার জামগড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া থানার
মুন্সিরচর গিমাডাঙ্গা থানার মোঃ মোতালেব শেখের ছেলে মোঃ ইয়াছিন শেখ (২৫)। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় ওয়ারেন্ট জারি করেছে আদালত। অপরজন হলেন, মাগুড়া জেলা সদরের শিমুলিয়া গ্রামের অলিয়ার রহমানের মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত ওরেফে সুমি আক্তার (২৫)। তারা সবাই জামগড়ার শিমুলিয়া এলাকায় থেকে হ্যানি ট্যাপের মাধ্যমে অপরাধ করে আসছিলেন। ভুক্তভোগী যুবকের নাম পলাশ হোসেন (২৫), তিনি মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার পেচুয়াধারা গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ২০ জুন ডেটিং সাইট টান টান অ্যাপের মাধ্যমে পলাশ নামের এক যুবককে জামগড়ার বাসায় ডেকে নেন সুমাইয়া জান্নাত ওরেফে সুমি। পরে তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে আরও ৪ জন যুবক এসে পলাশকে মারধর করে তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোটরসাইকেল লুট করে নেয়। এছাড়া মুক্তিপণ হিসাবে আড়াই লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না পেয়ে পলাশকে নির্যাতন করে গত ২৫ জুন একটি অজ্ঞাত স্থানে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তী পলাশ থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে, অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা জেলার অতিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবীর বলেন, ডেটিং সাইট টান টান অ্যাপসহ নানা ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে হ্যানি ট্রাপে ফেলে সহজ-সরল ব্যাক্তিদের সর্বশান্ত করছে একটি চক্র। আমরা আজ এমন একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি। এর সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমি অপরাধীদের একটা মেসেজ দিতে চাই, এই এলাকায় কোন ধরনের অপরাধী ছাড় পাবে না। সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে৷

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করুন

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

আপডেট : ০২:০০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
১১১ দেখা
© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

ডেটিং সাইট টান টান অ্যাপের মাধ্যমে সহজ-সরল ব্যক্তিদের অপহরণ , গ্রেপ্তার ২

আপডেট : ০২:০০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

ডেটিং সাইট ‘টান টান’ অ্যাপসের মাধ্যমে হানিট্র্যাপে ফেলে মোটরসাইকেলসহ নগদ টাকা লুটে নেওয়ার ঘটনায় নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবীর। এর আগে তাদের গতকাল আশুলিয়ার জামগড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া থানার
মুন্সিরচর গিমাডাঙ্গা থানার মোঃ মোতালেব শেখের ছেলে মোঃ ইয়াছিন শেখ (২৫)। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় ওয়ারেন্ট জারি করেছে আদালত। অপরজন হলেন, মাগুড়া জেলা সদরের শিমুলিয়া গ্রামের অলিয়ার রহমানের মেয়ে সুমাইয়া জান্নাত ওরেফে সুমি আক্তার (২৫)। তারা সবাই জামগড়ার শিমুলিয়া এলাকায় থেকে হ্যানি ট্যাপের মাধ্যমে অপরাধ করে আসছিলেন। ভুক্তভোগী যুবকের নাম পলাশ হোসেন (২৫), তিনি মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার পেচুয়াধারা গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ২০ জুন ডেটিং সাইট টান টান অ্যাপের মাধ্যমে পলাশ নামের এক যুবককে জামগড়ার বাসায় ডেকে নেন সুমাইয়া জান্নাত ওরেফে সুমি। পরে তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে আরও ৪ জন যুবক এসে পলাশকে মারধর করে তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোটরসাইকেল লুট করে নেয়। এছাড়া মুক্তিপণ হিসাবে আড়াই লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না পেয়ে পলাশকে নির্যাতন করে গত ২৫ জুন একটি অজ্ঞাত স্থানে ফেলে রেখে যায়। পরবর্তী পলাশ থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে, অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা জেলার অতিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবীর বলেন, ডেটিং সাইট টান টান অ্যাপসহ নানা ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে হ্যানি ট্রাপে ফেলে সহজ-সরল ব্যাক্তিদের সর্বশান্ত করছে একটি চক্র। আমরা আজ এমন একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি। এর সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমি অপরাধীদের একটা মেসেজ দিতে চাই, এই এলাকায় কোন ধরনের অপরাধী ছাড় পাবে না। সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে৷