Hi

০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

ময়মনসিংহ সদরের লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুনের অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৪ মে) সকালে সাহেবকাচারী বাজারে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় মুহসীন আলম, ময়েজ উদ্দিন মইজু, প্রাক্তন ছাত্র হারুন অর রশিদ, আবু হানিফ, নোমান ইবনে লতিফ, মোহাম্মদ নুর ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন তাঁর ছোট ভাইকে স্কুলটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ৭৭ শতাংশ জমি এবং টাকা আত্মসাৎ করার পাশাপাশি পরিবারের আটজনকে শিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ দিয়েছেন। এর প্রতিবাদ করায় বিভিন্নজনকে হামলা মামলায় হয়রানি করছেন। দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষককে দ্রুত অপসারণ না করা হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এদিন প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন প্রতিষ্ঠানে আসেননি। তাঁর বক্তব্যের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে তাঁর পক্ষে সাফাই গেয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, সকল ধরনের নিয়োগ যথাযথ নিয়ম মেনেই হয়েছে। যারা প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে আন্দোলন করছে তাদের হয়তো অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে।

ট্যাগ :

মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ই-মেইল সহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হবে।

© সর্বস্বত স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © Jonogoner Khobor - জনগণের খবর
                                  কারিগরি সহযোগিতায়ঃ মো. সাইফুল ইসলাম                                  

ময়মনসিংহে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট : ০৩:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

ময়মনসিংহ সদরের লেতু মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুনের অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৪ মে) সকালে সাহেবকাচারী বাজারে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় মুহসীন আলম, ময়েজ উদ্দিন মইজু, প্রাক্তন ছাত্র হারুন অর রশিদ, আবু হানিফ, নোমান ইবনে লতিফ, মোহাম্মদ নুর ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন তাঁর ছোট ভাইকে স্কুলটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ৭৭ শতাংশ জমি এবং টাকা আত্মসাৎ করার পাশাপাশি পরিবারের আটজনকে শিক্ষক হিসেবে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ দিয়েছেন। এর প্রতিবাদ করায় বিভিন্নজনকে হামলা মামলায় হয়রানি করছেন। দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষককে দ্রুত অপসারণ না করা হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এদিন প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন প্রতিষ্ঠানে আসেননি। তাঁর বক্তব্যের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে তাঁর পক্ষে সাফাই গেয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, সকল ধরনের নিয়োগ যথাযথ নিয়ম মেনেই হয়েছে। যারা প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে আন্দোলন করছে তাদের হয়তো অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে।