,
রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের মৃত্যুতে মাদারিপুর-৩ জুড়ে শোকের ছায়া

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২২৯ Time View
কাজী নাফিস ফুয়াদ মাদারিপুর প্রতিনিধিঃ
দলীয় রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন সবার আপনজন  গত বুধবার (২৫ অক্টোবর) ভোর রাত ২.৩০ ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী  সৈয়দ আবুল হোসেনের  মৃত্যুতে মাদারিপুর -৩ আসন, ডাসার ও কালকিনি জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া। অবহেলিত মানুষের কাছে তিনি ছিলেন আশ্রয়স্থল । মাদারীপুরের ডাসারে  জন্ম নিয়ে একজন জননেতা হিসেবেও তার সুখ্যাতি ছড়িয়ে আছে গোটা উপমহাদেশে। তাই তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে। আত্মীয়স্বজন ও দলের নেতাকর্মীরা বাকহারা, স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন।তাদের চোখে-মুখে শোকের ছায়া। প্রিয় মানুষটিকে, প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে চান তারা।
তার মৃত্যুসংবাদ জানার পর এলাকার মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণের পাশাপাশি কালো পতাকা উত্তোলন বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও কোরআন শরীফ খতম করেন। ডাসার বাজার ও থানা মার্কেট  এক’দিন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা এ সংবাদে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
দলীয় নেতাকর্মীরা বলেন মৃত্যুর ক্ষতি ভাষায় প্রকাশ করার নয়।সৈয়দ আবুল হোসেন  ‘জনমানুষের নেতা’ তিনি , ‘তৃণমূল থেকে শুরু করে তিনি রাজনীতির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছেন নিজ যোগ্যতায়।দেশের সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম এই নেতার মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হলো। এমন রাজনীতিবিদকে হারিয়ে আমরা শোকার্ত। তার মানবিক ও রাজনৈতিক গুণাবলি আমরা কখনও ভুলব না।ডাসার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বলেন, ‘আমরা এই মৃত্যু শোক বা এই পাহাড়সম রাজনীতিকের শূন্যতা কীভাবে পূরণ করব, বুঝতে পারছি না।
সৈয়দ আবুল হোসেন ১ আগস্ট ১৯৫১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর তিনি ধারাবাহিকভাবে সপ্তম, অষ্টম ও নবম সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরমধ্যে ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত বাংলাদেশের যোগাযোগমন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
সৈয়দ আবুল হোসেন এক স্ত্রী খাজা নার্গিস, দুই মেয়ে সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন এবং সৈয়দা ইফফাত হোসেন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরও খবর পড়ুন:

Jonogoner Khobor - জনগণের খবর পোর্টালের গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ:

 আমাদের পরিবার

About Us

Contact Us

Disclaimer

Privacy Policy

Terms and Conditions

Design & Developed by: Sheikh IT
sheikhit

জনগণের খবর পোর্টালের কোনো প্রকার নিউজ, ছবি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত অন্য কোথাও ব্যবহার করা যাবে না। ধন্যবাদ।