,
রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০২:১৩ অপরাহ্ন

শ্রীলঙ্কায় হস্তক্ষেপ করা নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে ভারত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০২২
  • ১৫৯ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের তামিল নাড়ু ভিত্তিক কয়েকটি রাজনৈতিক দল শ্রীলঙ্কায় চলতে থাকা সংকটে ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছে। রবিবার (১৭ জুলাই) ভারত সরকার জানিয়েছে, এই ইস্যুতে মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় সর্বদলীয় বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। বৈঠকের পর ব্রিফিং করবেন কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ও ড. এস জয়শঙ্কর।

ভারতের পার্লামেন্টের মৌসুমী অধিবেশনকে সামনে রেখে দলগুলোর এক বৈঠকে প্রতিবেশি দেশটিতে হস্তক্ষেপের দাবি তোলে তামিল নাড়ু ভিত্তিক দল ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে। খবর এনডিটিভির।

বৈঠকে উভয় দলই শ্রীলঙ্কার তামিল জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতির বিষয়টি তুলে ধরে। আর এই তথ্য জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের শরিক দল এআইএডিএমকে নেতা এম থাম্বিদুরাই এবং তামিল নাড়ুর শাসক দল ডিএমকে নেতা টিআর বালু।

গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ভারত শ্রীলঙ্কার জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে কারণ তারা গণতান্ত্রিক উপায় ও মূল্যবোধ, প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এবং সাংবিধানিক কাঠামোর মাধ্যমে তাদের সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতির আকাক্সক্ষা অর্জন করতে চায়’।

দ্বীপরাষ্ট্রটিকে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর দিকে ইঙ্গিত করে বিবৃতিতে বলা হয় ভারতের প্রতিবেশিত্ব প্রথম নীতির আওতায় শ্রীলঙ্কার অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। শ্রীলঙ্কার নিকটতম প্রতিবেশি ভারত আর আমাদের দুই দেশের মধ্যে সভ্যতাগত গভীর বন্ধন রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার আন্দোলন রবিবার (১৭ জুলাই) শততম দিন পার করেছে। ইতোমধ্যেই বিক্ষোভকারীরা আগের প্রেসিডেন্টকে দায়িত্ব ছাড়তে বাধ্য করেছে। দেশটি নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পথে রয়েছে কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট অবসানের কোনও দৃশ্যত অগ্রগতি নেই।

আর্থিক সংকটের জন্য সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকশের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছে শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ। এই সংকটের কারণে গত বছর থেকে দেশটির দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ খাবার, জ্বালানি ও ওষুধ সংকটে ভুগছে।

শ্রীলঙ্কার সংবিধান অনুযায়ী রাজাপাকসের পদত্যাগের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। আর এখন আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থায়ী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অন্যতম শীর্ষ প্রার্থী তিনি।

রাজাপাকসের পদত্যাগের পর দখলে নেওয়া তিনটি সরকারি ভবন ছেড়ে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। এগুলো হচ্ছে দুইশ’ বছরের পুরনো প্রেসিডেন্টের বাসভবন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন এবং তার কার্যালয়।

শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিক্রমাসিংহে। আর প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোট গ্রহণের আগে পার্লামেন্টের নিরাপত্তা বাড়াতে সোমবার (১৮ জুলাই) রাজধানীতে অতিরিক্ত সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরও খবর পড়ুন:

Jonogoner Khobor - জনগণের খবর পোর্টালের গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ:

 আমাদের পরিবার

About Us

Contact Us

Disclaimer

Privacy Policy

Terms and Conditions

Design & Developed by: Sheikh IT
sheikhit

জনগণের খবর পোর্টালের কোনো প্রকার নিউজ, ছবি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত অন্য কোথাও ব্যবহার করা যাবে না। ধন্যবাদ।